ঢাকা, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

শিরোনাম
প্রকাশ : ৩১ আগষ্ট, ২০২১ ০৬:১৬

কল্যাণের উৎস ফজরের নামাজ

অনলাইন ডেস্ক

কল্যাণের উৎস ফজরের নামাজ

প্রথমত, ফজরের সময়টিরই রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘শপথ ফজরের।’ সুরা ফজর : ১। ফজরের সময়ের গুরুত্ব প্রমাণে এতটুকুই যথেষ্ট যে, আল্লাহতায়ালা ফজরের সময়ের শপথ করেছেন। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতের জন্য ভোরের বরকতের দোয়া করেছেন। সাখার আল-গামেদি (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘হে আল্লাহ, আমার উম্মতের জন্য দিনের শুরুকে বরকতময় করুন!’ আবু দাউদ।  ফজরের নামাজে শরিক না হওয়া মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। আবু হুরায়রা (রা.)  থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফেকদের ওপর ফজর ও এশার নামাজ অপেক্ষা অধিক ভারী নামাজ আর নেই। যদি তারা এর ফজিলত ও গুরুত্ব জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বা পাছার ভরে অবশ্যই (মসজিদে) উপস্থিত হতো। সহিহ বুখারি। যারা অলসতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে ফজরের নামাজ সময়মতো জামাতে আদায় করেন তাদের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে রয়েছে অনেক পুরস্কার। 

সারা রাত নামাজের সওয়াব : ইশা এবং ফজরের নামাজ জামাতে আদায়কারী রাতে ঘুমিয়েও সারা রাত নফল নামাজ পড়ার সওয়াব লাভ করবেন। উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত জেগে নামাজ পড়ল। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়ল, সে যেন পুরো রাত জেগে নামাজ পড়ল। সহিহ মুসলিম।